আসছে ১৯ সেপ্টেম্বরে শুরু আইপিএল,থাকছে নিয়মকানুন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

দীর্ঘ জল্পনা কল্পনার পর করোনা আবহে অবশেষে শুরু হচ্ছে আইপিএল (IPL)। আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে টুর্নামেন্টের আসর বসছে দুবাইয়ে (Dubai)। ইতিমধ্যে প্রত্যেকটি দলই পৌঁছে গিয়েছে সেখানে। সেইসঙ্গে বৃহস্পতিবার ঘোষিত হল আইপিএলের সূচি। রোহিত শর্মার মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ও ধোনির চেন্নাই সুপার কিংসের মধ্যে ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে এবারের আইপিএল।

ছবি:সংগৃহীত

কলকাতার ক্রিকেটপ্রেমীরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে রয়েছেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের ম্যাচের সূচি নিয়ে । নাইটরা প্রথম ম্যাচ খেলবে বিরাট কোহলির রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে আগামী ২০ সেপ্টেম্বর। ভারতীয় সময় বিকেল চারটেয় শুরু হবে ম্যাচ। তারপর আবার ২৩ তারিখ দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে রাত আটটা ম্যাচ। একনজরে দেখে নেওয়া যাক কবে কবে ম্যাচ রয়েছে নাইটদের-
২০ সেপ্টেম্বর- বনাম রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর
২৩ সেপ্টেম্বর- বনাম দিল্লি ক্যাপিটালস
২৭ সেপ্টেম্বর- বনাম চেন্নাই সুপার কিংস
২৯ সেপ্টেম্বর- বনাম রাজস্থান রয়্যালস
৩ অক্টোবর- মুম্বই ইন্ডিয়ান্স
৬ অক্টোবর- বনাম সানরাইজার্স হায়দরাবাদ
৯ অক্টোবর- বনাম দিল্লি ক্যাপিটালস
১৩ অক্টোবর- বনাম কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব
১৬ অক্টোবর- বনাম কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব
১৮ অক্টোবর- বনাম মুম্বই ইন্ডিয়ান্স
২২ অক্টোবর- বনাম রাজস্থান রয়্যালস
২৭ অক্টোবর- বনাম চেন্নাই সুপার কিংস ৩১ অক্টোবর- বনাম রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর
৪ নভেম্বর- বনাম সানরাইজার্স হায়দরাবাদ


এবারের আইপিএলের ফাইনাল ১০ নভেম্বর। এদিকে, করোনা আবহে নিয়মানুযায়ী, কোনও খেলোয়াড়ের শরীরে করোনার উপসর্গ ধরা দিলে, তাঁকে এবং তাঁর সংস্পর্শে আসা খেলোয়াড়দের ৭ দিনের জন্য সেলফ-আইসোলেশনে যেতে হবে। সেক্ষেত্রে একটি দলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়কে বাইরে থাকতে হতে পারে। ফলে সমস্যায় পড়বে সেই দলটি। এই ব্যাপারটি মাথা রেখেই সূচি তৈরি করা হয়েছে।

আইপিএলের নিয়মকানুন যা বললেন ক্রিকেটাররা-
আমাদের যদি চুল কাটানোর দরকার পড়ে? আমরা কেনো সামাজিক দূরত্ব মেনে আরেক খেলোয়াড়ের রুমে যেতে পারব না? ফটোশ্যুটের সময় আমরা হাই ফাইভ বা হাগ করতে পারব? মেক-আপ আর্টিস্টের ব্যাপারে নিয়মটা কী? দলের সঙ্গে যে নাপিত থাকবে, সে কি পিপিই পরা থাকবে? সবসময় কি হাতে ব্লুটুথ রিস্টব্যান্ড পরে থাকতে হবে?- গত সোমবার আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সঙ্গে এক ওয়েবিনারে এসব প্রশ্ন করেছেন আইপিএলে অংশ নিতে যাওয়ার খেলোয়াড়রা।


করোনাভাইরাস সতর্কতার কারণে যেসব নিয়মকানুন মানতে বলা হয়েছে খেলোয়াড়দের, সেখানে বলা আছে একজন খেলোয়াড় অন্য খেলোয়াড়ের রুমে যেতে পারবে না। এছাড়া টুর্নামেন্ট শেষ হওয়া অবদি বায়ো সিকিউর বাবল ভেঙে অন্য কোথাও যাওয়ার অনুমতিও নেই। খেলোয়াড়রা দেখা করতে চাইলে নিজ নিজ রুমের দরজায় দাঁড়িয়ে দেখা করবে কিংবা নির্ধারিত মিটিং রুমে মিলিত হবে। সেখানে আবার মানতে হবে দুই মিটার সামাজিক দূরত্ব।


খেলোয়াড়দের এই সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকরণের জন্য সবার হাতে থাকবে একটি ব্লুটুথ ডিভাইসসমৃদ্ধ রিস্টব্যান্ড। যখন কোনো খেলোয়াড় তার সামনের জনের দুই মিটারের মধ্যে চলে আসবে, তখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে হাতের ডিভাইসটি এলার্ম বাজাবে। শুধুমাত্র ঘুমানোর সময় ছাড়া বাকি পুরোটা সময় হাতে রাখতে হবে এই ডিভাইস।

তাছাড়া খেলোয়াড়দের সঙ্গে থাকা পরিবারের সদস্যদেরও পরতে ব্লুটুথ ডিভাইসটি।এছাড়াও টিম বাসে খেলোয়াড়দের জিগজ্যাগ করে বসতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। যাতে করে তারা এক অপরের খুব কাছাকাছি না চলে আসে।খেলোয়াড়দের অনেকে অন্তত হোটেলের লবিতে বসে আড্ডা দেয়ার অনুমতি চেয়েছিলেন। কিন্তু আয়োজকরা এই অনুমতিও দেননি।

রাজস্থান রয়্যালসের বাঁহাতি পেসার জয়দেব উনাদকাত জানিয়েছেন, এসব নিয়মের বেড়াজালে অতিষ্ঠ হয়ে উঠছেন তিনি। কেননা আগে কখনও এমনটা হয়নি আর এখন কি না বাধ্যতামূলকভাবে মানতে হবে এসব নিয়মকানুন।

ছবি:সংগৃহীত


ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে উনাদকাত বলেছেন, ‘আমার মতে, একজন খেলোয়াড় অন্য আরেক খেলোয়াড়ের রুমে না যেতে পারার নিষেধাজ্ঞাটাই আমাদের জন্য সবচেয়ে কঠিন বিষয় হতে যাচ্ছে। কেননা আমরা আগে কখনও এসব দেখিনি। আপনি যখন লম্বা সময় দেশের বাইরে থাকেন, তখন কথা বলার জন্য হলেও একজন মানুষ দরকার হয়। কাজটা খুবই কঠিন হবে। কিন্তু এর বাইরে আর কোনো পথও নেই।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published.