সিনহা হত্যাঃ এবার আদালতে স্বীকারোক্তি দিচ্ছে এসআই নন্দ দুলাল

  • 1
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    1
    Share

ছবিঃ সংগৃহিত।

কক্সবাজারঃ অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলার অন্যতম প্রধান আসামি টেকনাফ থানার বরখাস্ত হওয়া উপপরিদর্শক (এসআই)  নন্দ দুলাল রক্ষিত ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেবেন। এ জন্য তাঁকে সোমবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে র‌্যাবের গাড়িতে করে কক্সবাজার আদালতে নেওয়া হয়।

এর আগে,সিনহা হত্যা মামলার ১ নম্বর আসামি ও টেকনাফের বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির বরখাস্ত পরিদর্শক লিয়াকত আলী রোববার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

এবার স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দী দিচ্ছেন এসআই নন্দ দুলাল।

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নন্দ দুলাল রক্ষিতকে কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহর আদালতে নেওয়া হয়। আদালতে আনার আগে সকাল সাড়ে নয়টার দিকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা খাইরুল ইসলাম, র‌্যাব-১৫ কক্সবাজারের এএসপি সাংবাদিকদের বলেন,
রিমান্ডে সিনহা হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে এসআই নন্দ দুলাল রক্ষিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। তিনি আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিতে রাজি হয়েছেন। তাই নন্দ দুলালকে আদালতে নেওয়া হয়েছে।

এর আগে,রোববার একই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন সিনহা হত্যা মামলার ১ নম্বর আসামি ও টেকনাফের বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির বরখাস্ত হওয়া পরিদর্শক লিয়াকত আলী। তিনি বর্তমানে জেলা কারাগারে আছেন।

র‌্যাব সূত্র জানায়, সিনহা হত্যা মামলার মোট আসামি ১৩ জন। তাঁরা হলেন টেকনাফ থানার বরখাস্ত হওয়া ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ, বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক লিয়াকত আলী, থানার এসআই নন্দদুলাল রক্ষিত, এসআই লিটন মিয়া, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কামাল হোসেন ও আবদুল্লাহ আল মামুন, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) তিন সদস্য এসআই মো. শাহজাহান, কনস্টেবল মো. রাজীব ও মো. আবদুল্লাহ এবং টেকনাফের মারিশবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা নুরুল আমিন, নিজাম উদ্দিন ও মোহাম্মদ আইয়াস।

রিমান্ড শেষে এপিবিএনের তিন সদস্য কয়েক দিন আগে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। বর্তমানে তাঁরা তিনজন জেলা কারাগারে আছেন। ঘটনার সময় এপিবিএনের তিন সদস্য শামলাপুর তল্লাশিচৌকির দায়িত্বে ছিলেন। সিনহা হত্যা মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

সিনহা হত্যা মামলায় ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, পরিদর্শক লিয়াকত আলী ও থানার এসআই নন্দদুলাল রক্ষিতকে ২৮ আগস্ট তৃতীয় দফায় রিমান্ডে নেয় র‌্যাব।

উল্লেখ্য,৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের মারিশবুনিয়া পাহাড়ে ভিডিও চিত্র ধারণ করে মেরিন ড্রাইভ দিয়ে কক্সবাজারের হিমছড়ির নীলিমা রিসোর্টে ফেরার পথে শামলাপুর তল্লাশিচৌকিতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সিনহা। এ সময় পুলিশ সিনহার সঙ্গে থাকা সাহেদুল ইসলাম সিফাতকে আটক করা হয়। পরে নীলিমা রিসোর্ট থেকে তাদের আরেক সহকর্মী শিপ্রা দেবনাথকে আটক করা হয়। সিফাত ও শিপ্রা দুজনই পর জামিনে আছেন এখন।

বিবিএন


  • 1
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    1
    Share

Leave a Reply

Your email address will not be published.