রাতের যে অভ্যাস গুলো ওজন বাড়িয়ে তুলছে

  • 2
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    2
    Shares

আপনি ওজন কমানোর জন্য দিন-রাত কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছেন কিন্তু এমন কিছু কাজ আছে সেগুলা করার মাধ্যমে আপনার প্রচেষ্টা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। অতিরিক্ত ফ্যাট থেকে মুক্তি পেতে প্রয়োজন সঠিক পরিকল্পনা এবং তা মেনে চলা।

যদিও আপনি অতিরিক্ত সতর্ক, তারপরেও বেশ কয়েকটি কারণে আপনার অজান্তেই ওজন বাড়িয়ে তোলে। আমাদের রাতের খাবারের আগে ও পরে এমন কিছু অভ্যাস আছে যা আমাদের শরীরের ওজন বাড়িয়ে তুলতে পারে।

প্রতীকী ছবি।

চলুন জেনে নেওয়া যাক এমন ছয়টি অভ্যাসের কথা, যা অজান্তেই আপনার ওজন বাড়িয়ে তোলে।

দেরি করে খাওয়া: রাতের খাবার প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে খাওয়া উচিত। এর কারণ হলো, যারা রাতের খাবার দেরি করে খায়, তাদের ওভার ওয়েটের ঝুঁকি বেশি থাকে। সুতরাং, রাতের খাবার আগেভাগে খেয়ে নিলে তা আপনাকে স্বাস্থ্যকর ওজন ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

স্বাস্থ্যকর রাতের খাবার: সঠিক পরিমাণে ফাইবার, প্রোটিন এবং ফ্যাট গ্রহণ করতে ভুলবেন না। আপনি যদি রাতের খাবারের পরে ক্রমাগত ক্ষুধা অনুভব করেন, তবে আপনার সঠিক পুষ্টির অভাব রয়েছে। রাতের খাবার স্বাস্থ্যকর যেন হয়, সেদিকে নজর দিন।

নিদ্রাহীনতা বা অতিরিক্ত ঘুম: বিছানায় শুয়ে যাওয়ার পরে যদি আপনার ফোনে ব্যবহার করার অভ্যাস থাকে তবে এই অভ্যাসটি আপনাকে সঠিক ঘুম পেতে বাধা সৃষ্টি করে। নিদ্রাহীনতা বা অতিরিক্ত ঘুম, দুটোই অযাচিত ওজনের অন্যতম প্রধান কারণ।

খাবারের পরে হাঁটাহাঁটি: আপনার কি রাতের খাবার খাওয়ার পরে সোফায় শোয়ার অভ্যাস আছে? যদি আপনার এই অভ্যাসটি থাকে তাহলে এখনই বন্ধ করা উচিত। রাতের খাবারের পরে ২০-৩০ মিনিটের জন্য হাঁটা শুরু করুন। এটি আপনার খাবারকে আরও ভালোভাবে হজম করতে সহায়তা করবে এবং এটি ওজন কমাবে। বাইরে যেতে না পারলে ঘরের ভেতরে হাঁটুন।

ভুল স্ন্যাকস নির্বাচন করা: রাতের খাবার শেষে ক্ষুধা অনুভব করলে আপনি কি চকোলেট, বিস্কুট এবং অন্যান্য অস্বাস্থ্যকর জিনিস খান? পেট ভরে খাওয়ার পরেও ভুল স্ন্যাক নির্বাচন করা আপনার ওজন বাড়িয়ে তুলতে পারে। এরপর যখন রাতের খাবার খেয়ে ক্ষুধা অনুভব করবেন, তখন বাদামের মতো প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার বেছে নিন।

তাপমাত্রা বেশি রাখা: ঘরের তাপমাত্রা কিছুটা কম থাকলে তা আপনার অতিরিক্ত ক্যালোরি ঝরাতে সাহায্য করে। যখন আপনার শরীরে কিছুটা শীত অনুভূত হয়, তখন এটি প্রয়োজনীয় উষ্ণতা অর্জনের জন্য অতিরিক্ত কাজ করতে হয়। সুতরাং এসির তাপমাত্রা হ্রাস করা আপনাকে ক্যালোরি বার্ন করতে সহায়তা করতে পারে। তাই রাতে শোয়ার সময় এসির তাপমাত্রা কিছুটা কমিয়ে নিন। প্রয়োজনে পাতলা কম্বলটি টেনে নিন।

স্টাফ রিপোর্টার/বে অব বেঙ্গল নিউজ


  • 2
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    2
    Shares

Leave a Reply

Your email address will not be published.