গাঁজার নেশা ছিল সুশান্তের! পরিচারকের বক্তব্যে বাড়ছে রহস্য…

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

চিত্রঃ সংগৃহীত।

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ মাঝেমধ্যে গাঁজা সেবনের অভ্যাস ছিল বলে জানান, সুশান্তের পরিচারক নীরজ সিংহ। সুশান্ত কাণ্ডের অন্যতম প্রধান সাক্ষী তার পরিচারক। ইতোমধ্যেই জিজ্ঞাসাবাদের উদ্দেশ্যে নীরজকে তিনবার ডেকে পাঠিয়েছেন সিবিআই।

‘ইন্ডিয়া টুডে’-র এক রিপোর্ট থেকে জানা যায়, মুম্বাই পুলিশকে দেওয়া বয়ানে নীরজ বলেছেন, ২০১৯-এর এপ্রিল মাসে তিনি সুশান্ত সিংহ রাজপুতের বাড়িতে কাজে ঢোকেন। কাজ বলতে খাবার পরিবেশন করা, ঘর পরিষ্কার রাখা ইত্যাদি। কেপ্রি হাইটসের পালি মার্কেট আবাসনে তখন থাকতেন সুশান্ত। গত বছর ডিসেম্বরে ওই আবাসন থেকে বান্দ্রার এক আবাসনে চলে আসেন সুশান্ত।

তিনি আরও জানান, মাঝেমধ্যেই নাকি গাঁজা খেতেন সুশান্ত। আগের ফ্ল্যাটে রাত বাড়লেই নাকি শুরু হতো অশরীরীর উপদ্রব, গলায় সবুজ রঙের কুর্তায় ফাঁস লাগানো সুশান্তের নিথর দেহ তিনিই নাকি নিজে হাতে নামিয়ে এনেছিলাম। মুম্বাই পুলিশকে দেওয়া তিন পাতার বয়ানে এমনই নানা অজানা কথা বলেছেন সুশান্ত সিংহ রাজপুতের পরিচারক নীরজ সিংহ।

বিগত ১৪জুন মারা যান সুশান্ত সিংহ রাজপুত। নীরজের বয়ানে “ওই দিন সকালে সাড়ে ছ’টা নাগাদ ঘুম থেকে উঠে স্যরের পোষ্যকে নিয়ে বাইরে যাই। ৮টা নাগাদ ফিরে ঘর পরিষ্কার করছিলাম। স্যর ঠান্ডা জল খেতে চান। স্যরের ঠান্ডা জল খাওয়া বারণ ছিল। রিয়া ম্যাডাম বারণ করেছিলেন আমায় দিতে। আমি তাও অল্প ঠান্ডা জল দিই। স্যর সেই জল খান।” এর পর সুশান্তের অপর পরিচারক কেশব কলা, ডাবের জল এবং জুস নিয়ে সুশান্তের ঘরে যান বলে জানান নীরজ। সময় সাড়ে ন’টা। নীরোজের দাবি, সুশান্ত কী খাবেন তা জানার জন্য কেশব সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ তাঁর ঘরের দরজা ধাক্কা দেন। কিন্তু তা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। কেশব ভাবেন সুশান্ত ঘুমচ্ছেন। কিন্তু এরও বেশ কিছু ক্ষণ অবধি কোনও সাড়া না পাওয়ায় ডেকে পাঠানো হয় সিদ্ধার্থ পিঠানিকে। নীরজ বলেন, “সিদ্ধার্থ ভাইয়াও ডাকাডাকি করে কোনও সাড়া না পাওয়ায় ফোন করেন স্যরকে। ফোন বেজে যায়। এর পরেই ফোন যায় মিতু দিদির কাছে। মিতু দিদি বলেন তিনি দ্রুত আসছেন।” নীরজের দাবি, সুশান্তের ঘরের চাবি কোথায় তাঁরা জানতেন না বলেই ডাকা হয় চাবিওয়ালাকে।

পুলিশের পর নীরজের বয়ান রেকর্ড করলেন সিবআই। সিবিআইকে নতুন কোন তথ্য জানিয়েছেন কি না, তা নিয়েই বাড়ছে কৌতূহল।

বিশেষ প্রতিনিধি/ ভারত।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published.