চট্টগ্রামের চান্দগাঁও এলাকায় মা-ছেলে খুন…

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

চিত্রঃ সংগৃহীত।

নগরীর চান্দগাঁও থানাধীন পুরাতন চান্দগাঁও রমজান আলী সেরেস্তাদারের বাড়ি এলাকার একটি বাসা থেকে মা ও ছেলের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের শিকার দুইজন হলেন গুলনাহার বেগম (৩৩) ও তার ছেলে রিফাত (৯)।

চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান খন্দকার বলেন, “পুরাতন চান্দগাঁও রমজান আলী সেরেস্তাদারের বাড়ি এলাকায় মা ও ছেলে খুন হয়েছে। আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি। কেন বা কারা এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটিয়েছে বিস্তারিত পরে জানানো হবে।” হত্যাকাণ্ডের পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) এসএম মোস্তাক আহমেদ খান বলেন, “হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে আমরা কাজ করছি।”

তার মেয়ে হতে জানা যায়, গুলনাহার বেগম তার মেয়ে ময়ুরী ও রিফাতকে নিয়ে বসবাস করে আসছিলেন। গুলনাহার বেগমের স্বামী আরেকটি বিয়ে করেছেন। তিনি অপর স্ত্রীসহ নোয়াখালীতে বসবাস করেন।গুলনাহার বেগম ও রিফাত হত্যাকাণ্ডের পেছনে গুলনাহার বেগমের ‘পাতানো ভাই’ ফারুক নামে এক ব্যক্তিকেও সন্দেহ করছেন ময়ুরী। বহদ্দারহাট খাজা রোডের বাসিন্দা অভিযুক্ত ফারুক বহদ্দারহাটে একটি দোকান পরিচালনা করতেন।

ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে ফারুক। তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। ফারুকের বিষয়টি মাথায় রেখে তদন্তে নেমেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক টিম।

হত্যাকাণ্ডের শিকার গুলনাহার বেগমের মেয়ে ময়ুরী বলেন, “আমার মাকে বোন ডেকেছে ফারুক। ফারুক আমাদের বাসায় আসা যাওয়া করতো। পাঁচ বছর ধরে ফারুকের সঙ্গে আমাদের পরিচয়। কিছুদিন আগে ফারুকের সঙ্গে আমার মায়ের ঝগড়া হয়। তারপর থেকে আমার মায়ের ওপর ক্ষিপ্ত ছিল ফারুক। ফারুকই আমার মা ও ভাইকে খুন করেছে।”

এবিষয়ে সিএমপির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (উত্তর) আশিকুর রহমান বলেন, “ফারুক নামে একজনের বিষয়ে আমাদের তথ্য দিয়েছে নিহতের মেয়ে। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।”

এদিকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) এসএম মোস্তাক আহমেদ খান আরও বলেন, “বিষয়টি আমরা তদন্ত করছি। ভিকটিমের মেয়ের অভিযোগ মাথায় রেখে কাজ করছি আমরা।”

বিশেষ প্রতিনিধি/ চট্টগ্রাম।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published.