আগুন সন্ত্রাস বনাম উন্নয়ন ও কৌশলের রাজনীতি

  • 109
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    109
    Shares

মোনতাছির চৌধুরী মাহিয়ানঃ বইয়ের পাতায় যাই লেখা থাকুক না কেন সভ্যতা ও সংস্কৃতি পরিবর্তিত হয় মানুষের পছন্দ ও চাহিদা অনুযায়ী। রাজনীতি শব্দটির ব্যাসবাক্য ‘নীতির রাজা’ হলেও ‘রাজার যে নীতি’ সেটাই রাজনীতি হিসেবে স্বীকৃতি পাচ্ছে মানুষের কাছে। অর্থাৎ রাজা তার সাম্রাজ্য টিকিয়ে রাখতে যা পদক্ষেপ নিবেন সেটাই রাজনীতি বলে বিবেচ্য আধুনিক সমাজে। আজকে কথা বলব বি এন পি এর আগুন সন্ত্রাস ও আওয়ামী লীগের উন্নয়ন ও কৌশলের রাজনীতি নিয়ে।
আগুন সন্ত্রাস বনাম উন্নয়ন ও কৌশলের রাজনীতি
আগুন সন্ত্রাস বনাম উন্নয়ন ও কৌশলের রাজনীতি

রাজনীতি নিয়ে মানুষের নেতিবাচক ধারণার কারণ সম্ভবত এটিই। যেখানে একজন শাসক নীতিকে পাশ কাটিয়ে ব্যক্তিগত স্বার্থের সাথে মানানসই রাজনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে তৎপর হয়। বস্তুত রাজনীতি একটি স্থির মতবাদ। এর কোন নিজস্ব চালিকা শক্তি নেই। মানুষ এটিকে যে পথে পরিচালিত করতে চায় রাজনীতিও সেই পথ ধরেই হাঁটে। একটি দেশ গণতান্ত্রিক হবে নাকি স্বৈরতান্ত্রিক সেটা সেই দেশের ইট পাথর কিংবা বই পুস্তকের উপর নির্ভর করে না। নির্ভর করে জনগণের  ইচ্ছা এবং অংশগ্রহণের উপর। তাই একটি রাষ্ট্রের রাজনৈতিক ধারার ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিকগুলো সমস্ত কৃতিত্ব ও দায় সেই ভূখন্ডের রাজনীতিবিদ ও জনগণের।

এবার দৃষ্টিপাত করব বাংলাদেশের রাজনীতিতে। বাংলাদেশের রাজনীতি এখন পর্যন্ত দুটি বৃহৎ ধারায় বিভক্ত। একটির নেতৃত্বে রয়েছে শাসক দল আওয়ামী লীগ এবং অন্যটি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে কথা বলতে হলে আমাদের ফিরে যেতে হবে ইতিহাসের পূরোনো অধ্যায়ে। যেখানে বারবার অবধারিত ভাবেই চলে আসবে স্বাধীনতার মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও আওয়ামী লীগের নাম। বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে নেতৃত্ব দেওয়া সংগঠন আওয়ামী লীগ। যখনই মানুষ বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ইতিহাস পড়বে  তখনই আওয়ামী লীগের অবদান সম্পর্কে জানতে পারবে। সেই দলের বর্তমান নেতা শেখ হাসিনা। যার নেতৃত্বে বর্তমান বাংলাদেশ সরকার পরিচালনা করছে আওয়ামী লীগ।

অন্যদিকে  বিএনপির প্রতিষ্ঠা ১৯৭৫ সালের বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের পরবর্তী সময়ে। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান একজন মুক্তিযোদ্ধা হলেও অগণতান্ত্রিক উপায়ে ক্ষমতা দখল ও ক্ষমতায় থাকাকালীন মুক্তিযোদ্ধাদের বিনা বিচারে শাস্তিসহ নানা কারণে তিনি আলোচিত-সমালোচিত। আওয়ামী লীগ এবং স্বাধীনতা পন্থী শক্তি তাকে বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের বেনিফিশিয়ারীও মনে করে। তার গায়ে লেগে আছে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন দায়িত্বে পূনর্বাসনের কালিমা। তবুও এই কথা অস্বীকারের উপায় নেই- দলের বর্তমান প্রধান খালেদা জিয়া নিজস্ব চেষ্টায় তার দলকে বাংলাদেশের মানুষের কাছে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে। এখনও বাংলাদেশের বহু মানুষ প্রকাশ্য বা অপ্রকাশ্যে স্বপ্ন দেখে একদিন আবার বিএনপি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হবে।

বাংলাদেশে একটি প্রথা বেশ প্রচলিত। যেখানে পালাক্রমে দলগুলো ক্ষমতায় আসে।  মানুষ তার ব্যক্তিগত পছন্দ কিংবা পারিবারিক পরিচয় অনুযায়ী ভোট দেয়। কর্মের উপর বিবেচনা করে নয়। যা গণতন্ত্রের জন্য হুমকিস্বরূপ। তাই রাজনৈতিক দলগুলো দেশ ও জনগণের জন্য যতই কাজ করুক না নির্বাচন নিয়ে তাদের আলাদাভাবে ভাবতে হয়। সেবার পাশাপাশি সেই স্বতন্ত্র ভাবনায় অনেকটা এগিয়ে ছিলো বলেই শেখ হাসিনা বাংলাদেশের তিন বারের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অভিমত। সেই দৌড়ে অনেকটা পিছিয়ে থাকা বিএনপি তাই লোকবল থাকা সত্ত্বেও ছিটকে পড়েছে ক্ষমতার রাজনীতি থেকে।

রাজনীতি কৌশলের খেলা। একটি সিদ্ধান্ত বদলে দিতে সমস্ত হিসেবনিকেশ। সেই হিসেবে সিদ্ধান্ত গ্রহণে বরাবরই পরিপক্ব রাজনীতিবিদ শেখ হাসিনা। ২০০৮ সালে “দিনবদলের সনদ” শিরোনামে যে ইশতেহার আওয়ামী লীগ দিয়েছিলো তা ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছিল তরুণ প্রজন্মের মাঝে। ফলশ্রুতিতে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসে। সেই থেকে এক যুগ ধরে বিচক্ষণতার সাথে রাষ্ট্র পরিচালনার সাথে বাংলাদেশের রাজনীতির একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রকও শেখ হাসিনা।

জনগণ চায় উন্নয়ন ও স্বাচ্ছন্দ্যের জীবন। সেটিকে প্রাধান্য দিয়ে শেখ হাসিনা সরকার বাংলাদেশের গুণগত পরিবর্তনে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। অবকাঠামোগত ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসার ঘটেছে। মানুষের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। নতুন নতুন কর্মক্ষেত্র গড়ে উঠছে। তাই মানুষ প্রায়ই মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে দিয়েছে- কে কত বছর ধরে কিভাবে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আছে। তাদের চাহিদা পূরণ হচ্ছে এতেই তারা খুশী। প্রকারান্তরে এটি শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগেরই বিজয় বলে বিবেচিত।

অন্যদিকে প্রশ্ন দাঁড়ায় বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল হয়েও কেন জনবিচ্ছিন্ন দ্বীপে পরিণত হয়েছে, বিএনপি? উত্তর হতে পারে শেখ হাসিনার দূরদর্শী কৌশল এবং বিএনপির ভুল রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। ফিরে যেতে হবে ২০১৪ সালে। সে সময়কালে বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে মাঠে ময়দানে ব্যাপক সরগরম ছিলো বিএনপি। সেসময় তাদের জনসম্পৃক্ততাও ছিলো। তাদের সেই দাবিকে উপেক্ষা করে সংবিধান অনুযায়ী দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। যে নির্বাচন বর্জন করে আন্দোলনের ডাক দেয় বিএনপি। টানা তিনমাস হরতাল অবরোধ সহ প্রায় বছর ব্যাপী নানা কায়দায় আন্দোলন চালিয়ে যায় বিএনপি।

গণতান্ত্রিক দাবিতে গণতান্ত্রিক উপায়ে আন্দোলনের পরিবর্তে বিএনপি সেসময় আশ্রয় নিয়েছিলো আগুন সন্ত্রাস ও সংঘাত সহিংসতার। প্রতিদিন ঘুম ভাঙলেই খবর আসতো কোথাও না কোথাও যানবাহনে আগুন সন্ত্রাসীদের আগুন দেওয়ার। দিনের পর দিন শত শত মানুষকে পুড়িয়ে মারা হয়েছে। একজন মানুষকে প্রধানমন্ত্রী বানাতে গিয়ে  কয়েকশ মানুষকে পৈশাচিক কায়দায়  পুড়িয়ে মেরেছে বিএনপির আগুন সন্ত্রাসীরা। ক্ষতি করেছে শত শত কোটি মূল্যের রাষ্ট্রীয় সম্পদের। মানুষের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়েছে। নিম্মে নামিয়ে এনেছে অর্থনৈতিক সূচক। পরীক্ষার্থী শিক্ষার্থীরা পর্যন্ত হরতাল অবরোধের আওতামুক্ত ছিলো না। ২০১৫ সালের এসএসসি পরীক্ষা নিতে হয়েছে শুক্র ও শনিবার রাষ্ট্রীয় ছুটির দিন সমূহে। শিক্ষার্থীদের উপর হামলা হয়েছে। পত্রিকার পাতা খুললেই দেখা যেতো পরীক্ষা দিতে বের হয়ে লাশ হয়ে ফিরছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। এমনই নজিরবিহীন আগুন সন্ত্রাস ও নৃশংসতার পরিচয় দিয়েছিলো বিএনপি।

রাষ্ট্রকে জিম্মি করে, জনগণের লাশের উপর দিয়ে ক্ষমতায় আরোহনের যে বাসনা লালিত ছিলো বিএনপির মস্তকে সেটিই হয়ে দাঁড়িয়েছে বিএনপির জন্য সবচেয়ে বড় কাল। মানুষ ভাবতে শুরু করেছে যারা ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য মানুষের জীবন ছিনিয়ে নিতে পারে তারা ক্ষমতায় গেলে কি করবে?? এই ভাবনা মানুষের মানসপটে  আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠিত করতে পারাই বিএনপি রাজনৈতিক মাঠ থেকে অনেকটা নিক্ষিপ্ত হয়েছে। তাই ২০১৫-১৬ সালের পরে বিএনপি আর কোন বড় ধরনের আন্দোলন জমাতে পারে নাই। কোন সভা সমাবেশ করতে গেলেই তাদের পূর্বের জ্বালাও পোড়াও এর রেকর্ড চলে আসে। স্বাভাবিকভাবেই সমাবেশের অনুমতি পেতেই বেগ পেতে হয়। তারা ক্ষমতায় যাচ্ছে কি না অথবা তাদের অবস্থা কেমন তা নিয়ে মানুষের কোন মাথাব্যথা নেই। বরং অনেকেই পূর্বে পছন্দ করলেও আগুন সন্ত্রাসের অপরাধে বিএনপিকে বর্জন করেছে।

বিএনপির এই আগুন সন্ত্রাসের জবাব আওয়ামী লীগ সরকার দিয়েছে শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিট প্রতিষ্ঠা করে। আওয়ামী লীগ মানুষকে বুঝাতে সক্ষম হয়েছে খালেদা জিয়া পুড়িয়া মারে। আর শেখ হাসিনা রক্ষা করে। মানুষ বিশ্বাস করতে শুরু করেছে বাংলাদেশের রাজনীতিতে খালেদা জিয়ার আর কোন প্রয়োজনীয়তা কিংবা ভূমিকা নেই। শেখ হাসিনা’ই তাদের সুখে থাকার অবলম্বন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এদিকে আগুন সন্ত্রাস, হানাহানি বিএনপিকে লন্ডভন্ড করে দিয়েছে। শেখ হাসিনা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমনে গ্রেনেড হামলার মতো অরাজনৈতিক বিধ্বংসী পন্থার আশ্রয় নেন নাই। তিনি রাজনীতি ও আইনের মাপকাঠিতেই ধরাশায়ী করেছেন প্রতিপক্ষকে। আগুন সন্ত্রাসের যৌক্তিক মামলায় বিএনপির মাঠের হাজার হাজার কর্মী জেল জুলুম খেটে রাজনীতি থেকে অনেকটা নিষ্ক্রিয়। বিএনপির প্রধান নেতা খালেদা জিয়া এতিমের টাকা আত্মসাৎ এর মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে রাজনীতি থেকে বিতাড়িত। তাকে মুক্ত করতেও বিএনপির নেতাকর্মীরা উল্লেখযোগ্য কোন ভূমিকা পালন করতে পারে নাই। অবশেষে পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে প্যারোলে অর্থাৎ অনেকটা সরকারের দয়া ও মানবিকতায় মুক্তি পেয়েছেন খালেদা। তারেক রহমান সাজাপ্রাপ্ত বিদেশ পলাতক আসামি। স্কাইপিতে সিদ্ধান্ত দিয়ে একটি রাজনৈতিক দল চলতে পারে কিনা সেটাই বিরাট প্রশ্ন।

সড়ক আন্দোলন ও কোটা আন্দোলনের দাবিদাওয়া মেনে সরকার এটি বুঝাতে চেয়েছে আওয়ামী লীগ সরকার যেকোন যৌক্তিক, গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের পক্ষে। এসব আন্দোলনের মাধ্যমে সরকার কিছু রাজনৈতিক প্লটেরও জন্ম দিয়েছে যারা এখন সংসদ সদস্য  হওয়ার স্বপ্ন দেখে। রাজনীতির মাঠে এরা ভঙ্গুর বিএনপির পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে। এসব রাজনৈতিক প্লটের অন্যতম হিসেবে বিবেচ্য নূরুল হক নূররা। রাজনীতির মাঠে এরা বিরোধী পক্ষের শূণ্যতা পূরণ করলেও সরকার জানে এদের সীমাবদ্ধতা এবং শক্তি। তাই বলা যায় বর্তমানে দেশে সরকার এবং বিরোধী পক্ষ দুটোরই একচ্ছত্র অধিপতি আওয়ামী লীগ।

বাংলাদেশের জাতীয়, স্থানীয় প্রতিটি ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের জয়জয়কার। এমপি, মেয়র, চেয়ারম্যান নির্বাচনে একের পর এক জয় ঘরে তুলছে আওয়ামী লীগ। বাংলাদেশে এখন শিশুরাও জানে নির্বাচন মানেই আওয়ামী লীগের জয় কিছু ব্যতিক্রম ব্যতিরেকে। অন্যদিকে নির্বাচনে বিএনপির এজেন্ট খুঁজে পাওয়া যায় না। আওয়ামী লীগের সাথে সমঝোতা করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘটনাও ঘটছে। অনেকে দলীয় মনোনয়ন পেয়েও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন না। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে বিএনপির নেতাকর্মীরা এক প্রকার পরাজয় মেনে নিয়ে যুদ্ধবিরতির ই আহ্বান জানাচ্ছেন।

বলা হয়ে থাকে রাজনীতিতে শেষ বলতে কোন কথা নেই। যেখানে শেষ হয়, সেখানেই সম্ভাবনার নতুন দরজা খুলে যায়। পঁচাত্তর পরবর্তী ইতিহাস সেটাই বলে। ধ্বংসের রাজ্যে সৃষ্টিশীল রাজনীতির অগ্রদূত হয়ে এসেছিলেন পিতৃহারা শেখ হাসিনা। সেই হিসেবে বলা যায় বিএনপিও একদিন হয়তো ঘুরে দাঁড়াবে। তবে আপাতত নিশ্চিত করে বলা যায়, জ্বালাও পোড়াওয়ের সিদ্ধান্ত ভুল ছিলো। আগুন সন্ত্রাসের বিপক্ষে আওয়ামী লীগের কৌশলগত রাজনীতি বিপুল ব্যবধানে জয়যুক্ত হয়েছে। ভুল কৌশল অবলম্বনই বিএনপিকে আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করেছে। আর ক্যারিশমাটিক রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনা আরোহন করেছেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার শীর্ষে। 

মোনতাছির চৌধুরী মাহিয়ান
ছাত্র প্রতিনিধি
কমার্স কলেজ ছাত্রলীগ

বে অব বেঙ্গল নিউজ / bay of bengal news

  • 109
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    109
    Shares