প্রতিপক্ষ যখন কিউই | তখন একমাত্র ভরসা রুবেল

প্রতিপক্ষ যখন কিউই,তখন একমাত্র ভরসা রুবেল

প্রায় এক যুগের ক্যারিয়ারে এখনও পর্যন্ত তিনবার ওয়ানডে ক্রিকেটে প্রায় এক যুগ কাটিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ডানহাতি পেসার রুবেল হোসেন। সাধারণত গতি দিয়ে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে ওস্তাদ রুবেল হোসেন।

প্রতিপক্ষ যখন কিউই | তখন একমাত্র ভরসা রুবেল
প্রতিপক্ষ যখন কিউই | তখন একমাত্র ভরসা রুবেল

ক্যারিয়ারে তিনবার ম্যাচ সেরা হয়েছেন।এর মধ্যে দুইবারই প্রতিপক্ষ ছিল নিউজিল্যান্ড। প্রথমবার ২০১০ সালে ঘরের মাঠে সিরিজের শেষ ম্যাচে।তার পরেরটি ২০১৩ সালের সিরিজের প্রথম ম্যাচে।

২০১০ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে যে ম্যাচে বাংলাদেশ প্রথমবার হোয়াইটওয়াশ করেছিলো কিউইদের,সেই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ২৫ রান দিয়ে ৪ উইকেট তুলে নিয়েছিলেন রুবেল। সেই ম্যাচ জিতেই হোয়াইটওয়াশ পূরণ করেছিল বাংলাদেশ।

তারপরের গল্পটা আরো রঙিন, ২০১৩ সালের সিরিজের প্রথম ম্যাচে ক্যারিয়ার সেরা ২৬ রানে ৬ উইকেট শিকার করেন রুবেল। সেই ম্যাচে ক্যারিয়ারের একমাত্র হ্যাটট্রিকও করেছিলেন তিনি।

এনিয়ে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১৩ ওয়ানডে রুবেলের শিকার ২২ উইকেট। দুইবার ম্যাচে নিয়েছেন ৪ উইকেট করে। আর ঘরের বাইরে কিউইদের বিপক্ষে রুবেলের শিকার ৭ ম্যাচে ৯ উইকেট। অর্থাৎ প্রতিপক্ষ যখন নিউজিল্যান্ড, তখন প্রাণবন্ত রুবেল হোসেনের দেখা পান দর্শকেরা।তাই এইবারো প্রত্যাশাটা একটু বেশিই দর্শকদের।

আরও একবার নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। যেখানে রয়েছে তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। সাত পেসারের স্কোয়াডে অভিজ্ঞতার বিচারে সবার চেয়ে বরাবরই এগিয়ে আছেন রুবেল হোসেনই।তাই আসন্ন সিরিজটিতে তাই তার কাছ থেকে বাড়তি চাওয়াই থাকবে বাংলাদেশ দলের।

সেই চাওয়া পূরণে আগের ভালো স্মৃতিগুলো মাথায় নিয়ে বোলিংয়ের চেষ্টা করবেন বলে জানিয়েছেন ৩১ বছর বয়সী এই ডানহাতি পেসার। রোববার দলের অনুশীলনের ফাঁকে সতীর্থ শরিফুল ইসলামের সঙ্গে আলাপে এ কথা জানিয়েছেন রুবেল।

শরিফুলের প্রশ্ন করেছিলো আমার কাছে মনে হয়, আপনি বাংলাদেশের সফলতম পেসারদের একজন। নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে ম্যাচে জেতানোর অনেক অভিজ্ঞতা আপনার আছে। দর্শকরা আপনার কাছে অনেক কিছু আশা করে। তো আপনি এখন কতটুকু চেষ্টা করছেন নিজের সেরাটা দেয়ার?

উত্তরে রুবেল জানান, ‘অবশ্যই। আমি সবসময়ই চেষ্টা করি। ইনশাআল্লাহ সামনে যদি সুযোগ পাই, আমার শতভাগ উজাড় করে দেব দলকে। এছাড়া ভালো স্মৃতিগুলো, কীভাবে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে ভালো খেলেছিলাম, চেষ্টা করব নিজের মাথায় নেয়ার। দলের পরিকল্পনা অনুযায়ী পুরোটা খুব ভালোভাবে বাস্তবায়ন করাটাই মূল লক্ষ্য। তো এটাই আর কী। ইনশাআল্লাহ! আমি আমার নিজের সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করব।’

এসময় নিউজিল্যান্ড সফরের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে তিনি আরও বলেন, ‘নিউজিল্যান্ডে তো এর আগেও অনেক এসেছি। নিউজিল্যান্ডের কন্ডিশনে আসলে বোলিং করতে ভালো লাগারই কথা। এখানে উইকেট সুন্দর থাকে, স্পোর্টিং থাকে। ব্যাটসম্যানদের জন্য সুবিধাজনক। তবে বোলাররা যদি ভালো জায়গায় বল করতে পারে, আমার কাছে মনে হয় বোলারদের জন্যও ভালো হবে।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এখনও পর্যন্ত ২৫ ম্যাচ খেলে ১০টি ম্যাচ জিতেছে বাংলাদেশ। কিন্তু নিউজিল্যান্ডের মাটিতে খেলা ১৩ ম্যাচের একটিতেও মেলেনি জয়ের দেখা।তাই এবার পরিসংখ্যানে নিজেদের জয়ের খাতা খুলতে মরিয়া টাইগাররা।

বে অব বেঙ্গল নিউজ / bay of bengal news

Leave a Reply

Your email address will not be published.