শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের এক বছর; স্থবির শিক্ষা ব্যবস্থা

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের এক বছর পূর্ণ হল আজ। বিশ্বব্যাপী করোনা সংক্রমণের ছোঁয়া লেগেছে বাংলাদেশেও। তারই প্রেক্ষিতে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে। 

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের  এক বছর; স্থবির শিক্ষা ব্যবস্থা
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের এক বছর; স্থবির শিক্ষা ব্যবস্থা

গত বছরের ৮ মার্চ সর্বপ্রথম বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণ দেখা দেয়। পরবর্তীতে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করতে ১৭ মার্চ থেকে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। এখন পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে আটকে রয়েছে শিক্ষার্থীদের ক্লাস-পরীক্ষা।এতে স্বাভাবিকভাবেই স্থবির হয়ে পড়েছে দেশের সার্বিক শিক্ষা ব্যবস্থা।

এদিকে গত ২৭ ফেব্রুয়ারী  মন্ত্রণালয়ের এক সভায় আগামী ৩০ মার্চ দেশের প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে বলে ঘোষণা দেন শিক্ষামন্ত্রী ড. দীপু মনি। সম্প্রতি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ক্ষেত্রে শিক্ষক-কর্মচারীদের টিকা প্রদানসহ প্রয়োজনীয় কার্যাদি ৩০ মার্চের মধ্যে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এর আগে গত ২২ ফেব্রুয়ারী শিক্ষা পরিস্থিতি সংক্রান্ত এক সংবাদ সম্মেলনে আগামী ১৭ মে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের হলগুলো খুলে দেওয়া হবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী। এছাড়াও ২৪মে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ক্লাস শুরু হবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।

এদিকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবিতে বিভিন্ন সময় আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের মতে, দেশের সবকিছুই স্বাভাবিক। সর্বত্র মানুষের ভীর। শুধুমাত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। শিক্ষা ব্যবস্থা স্থবির হয়ে থাকায় আমাদের শিক্ষাজীবন ব্যহত হচ্ছে। আমরা সেশনজটে আটকে গেছি। চাকরির বয়সসীমা তো আর করোনার জন্য বৃদ্ধি করা হবে না। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবি জানাই।

তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কেউ দাবি করলেই আমরা দেশের জন্য ক্ষতিকর কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারি না। গুটি কয়েক অতি উৎসাহীর কারণে আমরা দেশের সমস্ত মানুষকে বিপদে ফেলতে পারি না। সরকার  অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। উপযুক্ত সময়েই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে।