ফ্রিল্যান্সারদের সামাজিক-প্রাতিষ্টানিক স্বীকৃতি দিতে চায় শেখ হাসিনা…

  • 4
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    4
    Shares

ছবিঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

গতকাল মঙ্গলবার শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তাদের সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি কীভাবে দেওয়া যায় তার উপায় বের করতে হবে। দেশের অনেক শিক্ষিত তরুণ অনলাইনে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে ভালো আয় করেন, কিন্তু সামাজিক স্বীকৃতি নেই। কারো কাছে এসব তরুণ পেশার পরিচয় দিতে পারছেন না।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে একনেক সভায় ‘টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট :বাংলাদেশ অগ্রগতি প্রতিবেদন ২০২০’-এর মোড়ক উন্মোচন করেন।

 পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, এ প্রকল্প নিয়ে আলোচনাকালে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, যারা ফ্রিল্যান্সিং করেন, তারা কেরানি বা অন্য সরকারি চাকরিজীবীদের তুলনায় অনেক বেশি আয় করলেও তারা সামাজিক সমস্যায় পড়ছেন, বিয়ের ক্ষেত্রে তাদের পছন্দ করা হয় না। তারা যে কাজ করছেন, এর সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি কীভাবে দেওয়া যায় তার উপায় বের করেন। রেজিস্ট্রেশন পেতে পারেন কি না, সদস্য হতে পারেন কি না বা সার্টিফিকেট কেউ দিতে পারেন কি না—বিষয়টা নিয়ে চিন্তা করতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।

গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংযুক্ত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সভা শেষে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এসব কথা জানান। সভায় ৭৯৮ কোটি ৯১ লাখ টাকা ব্যয়ে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন (১১টি) প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি খাতে উদ্যোক্তা তৈরিতে সহায়তা করা হবে। সেই সঙ্গে স্টার্ট-আপদের সহায়তা প্রদান ছাড়াও আইটি সেক্টরে যুবসমাজের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে সহায়তা করা হবে।

উক্ত, একনেক সভায় ২ হাজার ৫৭০ কোটি ১৫ লাখ টাকা ব্যয় সংবলিত মোট পাঁচটি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে দুটি সংশোধিত। সভায় অনুমোদিত অন্য প্রকল্প হলো, ২০৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে কৃত্রিম প্রজনন কার্যক্রম সম্প্রসারণ ও ভ্রূণ স্থানান্তর প্রযুক্তির বাস্তবায়ন (তৃতীয় পর্যায়) প্রকল্প (প্রথম সংশোধিত), ৬৩ কোটি ১৭ লাখ টাকা ব্যয়ে মহিষ গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকল্প, ১৪৫৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ডিপিডিসির আওতাধীন এলাকায় উপকেন্দ্র নির্মাণ ও পুনর্বাসন, বিদ্যুত্ ব্যবস্থায় ক্যাপাসিটর ব্যাংক স্থাপন এবং স্মার্ট গ্রিড ব্যবস্থার প্রবর্তন প্রকল্প, ৪৩ কোটি ৭৩ লাখ টাকা ব্যয়ে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে প্রচার কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ প্রকল্প (প্রথম সংশোধিত)।

প্রতিবেদক/বিবিএন


  • 4
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    4
    Shares

Leave a Reply

Your email address will not be published.